তিস্তা হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক কেন্দ্র, মরুভূমি আর থাকবে না: ডা. শফিকুর রহমান

Politics National

Posted by admin on 2026-02-04 08:47:14 |

Share: Facebook | Twitter | Whatsapp | Linkedin Visits: 54


তিস্তা হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক কেন্দ্র, মরুভূমি আর থাকবে না: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিস্তা আর মরুভূমির মতো পড়ে থাকবে না; তিস্তাকে জীবন দিয়ে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে।

বুধবার দুপুর ২টায় **হাতীবান্ধা উপজেলা**র তিস্তা ব্যারেজসংলগ্ন হেলিপ্যাড মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিস্তার পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা আবারও উর্বর হয়ে উঠবে। নদীভাঙনের কবলে পড়ে দীর্ঘদিন ধরে যে হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে, তাদের দুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব হবে। তিনি জানান, যে কোনো মূল্যে ইনশাল্লাহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের জনগণের স্বার্থকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি উপস্থিত জনতার কাছে সমর্থন কামনা করলে সভাস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা হাত তুলে সাড়া দেন।

জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে বুড়িমারী স্থলবন্দর প্রসঙ্গে বলেন, স্থলবন্দরটি আধুনিকায়ন করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত ছয় লেনের সড়ক নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। সড়কের বেহাল অবস্থার সমালোচনা করে বলেন, এই সড়ক দিয়ে রোগী পরিবহনসহ সাধারণ চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের অবহেলার প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুগের পর যুগ এ অঞ্চলের মানুষ বঞ্চনার শিকার হয়েছে। জনগণের আবেগকে কাজে লাগিয়ে পালাবদলের রাজনীতির মাধ্যমে অনেকে ক্ষমতায় গেলেও সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার দিকে যথাযথ দৃষ্টি দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, “আমরা বসন্তের কোকিল নই। বিপদের সময় দেশ ছেড়ে চলে যাই না। সুখে-দুঃখে আমরা এই মাটিতেই থাকবো। এই দেশবাসীর মধ্যেই আমাদের ঠিকানা।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানকার উৎপাদিত পণ্য শুধু দেশের চাহিদা পূরণেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে।

Leave a Comment: